<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970</id><updated>2011-12-23T06:05:20.131-08:00</updated><title type='text'>Pasha blog</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>18</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-7278484040391672737</id><published>2011-04-15T12:38:00.000-07:00</published><updated>2011-04-15T12:39:09.075-07:00</updated><title type='text'>কিছু মানুষ যাদের কথা সারা জীবনে ভুলব না।</title><content type='html'>প্রায় এক বছরের মত হয়ে যাচ্ছে আমার বিদেশ জীবনের । যার কেউ নাই তার আল্লাহ আছে। সেই অবস্থার মতই আমি গত এক বছরে অনেক নতুন মানুষ এর সাথে নতুন করে বন্ধুত্ব করার সুযোগ পেয়েছি, যারা আমার এই নির্মম সময়গুলোতে আমার পাশে ছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘ই’ কথা না বললেই নয়। একজন ভাল বন্ধুর সাথে পথ চলার যে কি আনন্দ সেটা বুঝতে পেরেছি ওনাকে দেখে। খুব কাছ থেকে পথ চলা। আমার ইন্টারপ্রিটিশান গুলো তার সামনে প্রকাশ করা এবং সেইগুলো সত্য প্রমাণিত হওয়া, ব্যাপারটা অনেকবারই ঘটেছে। হাবিজাবি অনেক চিন্তা তার সাথে শেয়ার করেছি। একজন ভাল মানুষ পাশে থাকলে যে কি সুবিধা আমি সেটা কাছ থেকে দেখেছি। আমি ভুল করতে গেলেও তিনি শুধরে দিয়েছেন। এই রকম একজন মানুষ বন্ধু হিসাবে পাওয়া আসলেই অনেক ভাগ্যের ব্যাপার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘ফা’ এই মানুষটিকে আগে থেকে জানতাম। কিন্তু কখনো মেশার সুযোগ হয়নি। একবারই দেখা হয়েছিল কোন এক প্রোগ্রামে। তারপর কথা হয়নি অনেকদিন। আমার অন্তরের কথাগুলো তার সাথে শেয়ার করার সুযোগ হয়েছে। উনি আমার ছোট নাকি বড়? আমি কনফিউজড। আসলে ওনার বয়স আর আমার বয়স প্রায়ই সেইম। হয়ত বন্ধু হিসাবে আপনি, তুমি করে চলেছে আমার কথাবার্তা। অসাধারণ লেগেছে মানুষটিকে। তার পথ চলাতে অনেক কষ্ট গিয়েছে একবারও বুঝতে দেননি। বলেছেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। তার কান্নার সাথে সাথে আমারও কান্না পেয়েছে। তার কষ্টের দিনগুলো শেষ হয়েছে। হুম, দেখা হবে তার সাথে। চুটিয়ে গল্প করে একটা বিকাল পার করার ইচ্ছা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'টি' আমার চেয়ে অনেক ছোট। প্রথম প্রথম মনে হত, এত ছোট মানুষ আমার কাছে কি চায়? এত ছোট মানুষও যে বন্ধু হতে পারে সেটা বুঝলাম টি এর কাছ থেকে। ওর বেড়ে ওঠাটা দেখেছি একদম কাছ থেকে। ছোটরাই একদিন বড় হয়। ওদের আবেগ থাকবে তাদের কাছে নিয়ে বুঝাতে হবে, এটা ঠিক না, ওটা ঠিক না। কিন্তু আমরা যদি ওদের দুরে ঠেলে দেই, ওদের কাছে টানবে কে? দেশ ছেড়ে এখন বিদেশ আছে সেই টি। তার সাথে অনেক অনেক জায়গা ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'এস' ডাক্তারী পড়ছে। মহাজ্ঞানী ডাক্তার মানুষ। আমার কেন জানি মনে হয় এস চশমা পড়ে। মোটা কাচের চশমা। তার ভিতর একটা অভিমানী অভিমানী ভাব আছে। আমি জানি এস চশমা পড়ে না। এই রকম কোন ভাবও তার নেই। তার একটা ঝাড়ির কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। অবশ্য সেই ঝাড়িটা অনেক আগে খেলে আমার জন্য অনেক ভাল হত। মানুষকে নিয়ে ভাবে। সম্ভব অসম্ভব সব রকমের ভাবনা। অনেকেই তো মানুষকে নিয়ে ভাবে, কয়জন এই ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। আশা করি, সে পারবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরেক 'টি' সে আমার থেকে ১০ বছরের ছোট। সেই দিন চ্যাটে আমাকে কোড নেমে ডাকা শুরু করল । ওমা, যার সাথে পরিচয়ই হয়নি সে আমাকে ডাকছে কোড নেমে!!! অবাক হয়েছিলাম। পরে বুঝতে পারলাম এই বয়সের মানুষগুলো এই রকমই হয়। এইচ. এস. সি পরীক্ষা দিল । আশা করি, ভাল রেজাল্ট করবে। তারপর ভর্তি পরীক্ষা। আশা করি ভাল জায়গায় চান্স পাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'বি' এর সাথে দেখা উত্তরাতে। রিক্সা থেকে নেমেই বলল, আরে পাশা ভাই, আমি ব্লগের ‘বি’। বেশি কথা বলার সুযোগ হয়নি। পরে জানতে পারলাম, উনি আমাদের ‘বি’ ভাই। অসাধারণ ভাল লেখেন। লেখালেখির পাশাপাশি গান, চিত্রনির্মাণ সহ অনেক কাজই করে যাচ্ছেন তিনি। অনেক স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠছেন তিনি। তার পথ চলা বিভিন্ন সময় সাহস দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে আর সব সময়ের দোয়া দিয়ে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরের মানুষগুলো ছাড়াও অনেক মানুষ এর সাথে পরিচয় হয়েছে। যারা আমার পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। ওরা অনেক অনেক বড় হবে এটাই আমার বিশ্বাস। এদের বড় হওয়াটাই আমি দেখে যেতে চাই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-7278484040391672737?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/7278484040391672737/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=7278484040391672737' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7278484040391672737'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7278484040391672737'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2011/04/blog-post_5388.html' title='কিছু মানুষ যাদের কথা সারা জীবনে ভুলব না।'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-4941943564725641293</id><published>2011-04-15T12:37:00.000-07:00</published><updated>2011-04-15T12:38:08.761-07:00</updated><title type='text'>পরিণতি (গল্প)</title><content type='html'>অফিস থেকে সাধারণত বাসায় যাই। বাইরে ঘোরাঘুরির অভ্যাস একদম নেই। বাসায় যাব মনে করেই অফিস থেকে বের হলাম। কিন্তু বাদ সাধল একটা মোবাইল কল। এই কলটা অন্য যেকোন কল থেকে আলাদা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রফিক সাহেব অনেকদিন থেকে অসুস্থ। অসুস্থতার প্রথম দিকে তাকে দেখতে যেতাম। কিছুদিন আগে অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় উনাকে উত্তরার একটা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। তার এখন অন্তিম সময় চলছে। অনেকটা সেই কারণেই, আমাকে অনেক করে যেতে বললেন ভাবী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রফিক সাহেব আর আমি একই সাথে বিমানবন্দরের চাকুরীতে জয়েন করি। দুজনেরই তখন তরুণ বয়স। অনেক মজার মজার স্মৃতি আছে তার সাথে। মাসের আয় তত বেশি না হলেও ব্যাচেলর হওয়ার কারণে ভালই চলে যেত আমাদের। অনেকবারই রফিক সাহেবের গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছি। আপনি আপনি করে কথা হলেও আমাদের বন্ধুত্ব ছিল স্কুলের বন্ধুদের মতোই ঘনিষ্ঠ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রফিক সাহেব বিয়ে করলেন, আমিও। দুইজনের বাসা খুবই কাছাকাছি। দুইজনেরই ছেলে সন্তান হয়েছে। ওরা পড়াশুনা করছে। ওদের জন্য প্রাইভেট টিউটর রাখতে হয়। কম বেতনের চাকরীতে পোষাতে পারছি না। তখনও রফিক সাহেব আমার কাছে আপন ছিল। দুই জনে অফিস শেষে রাস্তায় হাঁটতে যেতাম । বিভিন্ন ধরনের কথা বলতাম। কি করা যায়? এতো অল্প পয়সা দিয়ে তো আর চলা যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর অনেকটা হঠাৎ করেই রফিক সাহেব বদলে গেলেন। তার সাথে আমার সেই সুন্দর সম্পর্কটাও পাল্টে গেল। আমার কাছের মানুষটি আমার থেকে দুরে সরে গেল। প্রিয় বন্ধুর সাথে আর দেখা হয় না। রফিক সাহেব এখন অনেক ব্যস্ত। চোরাচালানী দলের লোকদের সাথে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করেন। এতে তার কিছু উপরি ইনকাম হয়। আর আমি আছি আমার আগের অবস্থাতেই। তিনি উত্তরায় বাড়ি কেনেন। ছেলেকে রাজউক কলেজ মোটা বেতনে ভর্তি করান। আর আমি টাকার অভাবে সরকারী কলেজে আমার ছেলেকে পাঠাই। দুই পরিবারের মধ্যে যাতায়াতটা কোনও অংশে কম ছিল না। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিশেষ করে বিভিন্ন ঈদে তাদের বাসায় পুরো পরিবার নিয়ে যাওয়া হত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মিসেসকে দিয়ে রফিক সাহেব এর মিসেস কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এই টাকা উৎস নিয়ে উনাদের মতামত কি? অবৈধ টাকা ইনকাম করা তো ঠিক না। তার মিসেস যে উত্তর দিলেন তা হল এই রকম - আমার হাজব্যান্ড বিভিন্ন কর্মচারীর রোষ্টারিং এর দায়িত্ব পালন করেন। এই রোষ্টারিং এ কেউ যদি খুশি হয়ে কিছু দেয়, সেই টাকা নেয়াটা দোষের কিছু না। আর আমার হাজব্যান্ড কারো কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করছেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার ছেলে ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তি কোচিং করতে থাকে আর রফিক সাহেব এর ছেলে কোন কোচিং না করে টো টো করে ঘুরে বেড়ায়। আমি দেখি কিছুই বলি না, বলতে পারি না। ওনাদের টাকা আছে তারা ছেলেকে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করাবেন। আর আমার এত কম টাকা পয়সা যে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নাম নেওয়াও আমার জন্য অন্যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন সময় বিপদে আপদে তার থেকে ধার নিয়ে আমি চলতাম। মানুষটি আজ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত । তাকে দুই বার ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই কিছূ হয়নি। তার কাছে যেয়ে তার গত দিনের ভুলের কথাগুলো স্মরণ করিয়ে দেব। আমি রিক্সায় করে যাচ্ছি আর ভাবছি মানুষটির কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রফিক সাহেবের ছেলে শাহীনের সাথে যখনই দেখা হত তখনই দেখতাম সে মাথার এলোমেলো চুলগুলো ঠিক করছে। অনেকটা জড়তা নিয়ে বলত, আংকেল স্লামালাইকুম। তার বড় চুল আর হাতের ব্রেসলেট দেখে বোঝাই যেত, কতটুকু পেকে গিয়েছে ছেলেটি। একবার দেখলাম তার হাতে অনেক বড় একটি মোবাইল। আমি জিজ্ঞাসা করাতেই বলল, আংকেল এটা আইফোন। আমার ফ্রেন্ড এর কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। কি বলব নিজের ছেলেকে ভর্তি কোচিং এর জন্য ৮ হাজার টাকা দিতেই আমার খবর হয়ে গেছে সেখানে এই ছেলে ব্যবহার করছে অর্ধলক্ষ টাকা দামের মোবাইল!! নিজের ছেলে হলে কিছু বলা যেত, অন্যের ছেলে সহ্য করে যাওয়া ছাড়া অন্য কিছুই করার নাই আমার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তরা মেডিক্যালে আমি রিক্সা থেকে নামলাম। কেবিন নাম্বার আগেই জেনে নিয়েছিলাম। চলে গেলাম সোজাসুজি তার কেবিনে। ভাবী আমাকে দেখে জায়গা খালি করে দিলেন। একটা চেয়ার টেনে বসলাম। রফিক সাহেব শুকিয়ে গিয়েছেন। বলা যায়, একবারে শুকনা কাঠ। তার রক্ত নিয়মিত পরিবর্তন করতে হচ্ছে। শাহীন তাই হাসপাতালের বাহিরে। বাবার জন্য রক্ত জোগাড় করছে। বিভিন্ন বিষয় এ তার সাথে কথা বলছি। কথায় কথায় জানতে পারলাম, তার ছেলের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাডমিশন এর ব্যবস্থা করছেন। বিশদিনের মধ্যেই ছেলে চলে যাবে অস্ট্রেলিয়া। তার কাগজপত্র নিয়ে এত দিন টেনশানেই ছিলেন। আজকে সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এই তো বিশ দিন পর চলে যাবে ছেলেটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথা বলার মাঝামাঝি ভাবীর মোবাইলে কল আসল। ভাবী বাইরে চলে গেলেন । আমি রফিক সাহেব এর হাতটা ধরে বসে রইলাম। কত আপন মানুষ আজকে বিদায় এক বারে দ্বারপ্রান্তে। ভাবী ওপাশ থেকে মোবাইলে কান্নায় ভেংগে পড়লেন। আমি দ্রুত বাইরে চলে গেলাম। মোবাইলটি কানে দিয়ে জানতে পারলাম। শাহীনের বয়সী একজনের লাশ রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন পুলিশ। তার পকেটে ডাইরী থেকে তারা এই নাম্বারটি পেয়েছে। আমরা কেউ থানায় যেয়ে যেন লাশটি শনাক্ত করি। সম্ভবত ছিনতাইকারীর হাত থেকে দামী মোবাইল বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে ছেলেটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্রুত থানার উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। আবারও রিক্সা নিলাম। যাওয়ার সময় ভাবছি, পুলিশের করা ফোনটি যেন মিথ্যা হয় । আল্লাহ আমি যেন লাশ ঘরে যেয়ে শাহীনকে না দেখি। আমি দেখতে চাই শাহীন বেঁচে আছে। রিক্সায় বসে থাকা আমার দু’চোখ দিয়ে অঝোরে ঝরছে অশ্রু। আমি বলছি আল্লাহ তুমি আমার সহায় হও..............&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-4941943564725641293?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/4941943564725641293/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=4941943564725641293' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4941943564725641293'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4941943564725641293'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2011/04/blog-post_5639.html' title='পরিণতি (গল্প)'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-2256538794353415994</id><published>2011-04-15T12:36:00.000-07:00</published><updated>2011-04-15T12:37:09.883-07:00</updated><title type='text'>হাসি কান্নার ব্যতিক্রমী ঈদ</title><content type='html'>গত বছরের কুরবানীর ঈদ একটু ব্যতিক্রমই কেটেছিল। তার আগেরটাও আরো ব্যতিক্রমী। সেইবার ঠিকই বুঝতে পারছিলাম-- ঐ ঈদের পর আর বাংলাদেশে কয়েকটি ঈদ করতে পারব না। বিদেশে থাকা বাংলাদেশীদের সাক্ষাৎকার টিভিতে দেখতে দেখতে ভাবছিলাম কিভাবে কাটে আপনজন ছাড়া ভিন্নদেশী ঈদগুলো.......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈদের দিন খুব সকালেই ঘুম থেকে উঠতে হল। গোসল, সেভ করে আগের দিনের রান্না করা সেমাই খেয়ে রওনা দিলাম ঈদগাহে। ঈদগাহে সবার সাথে দেখা হল। বাহিরের তাপমাত্রা মাইনাস। সুতরাং, অনেক কাপড় চোপড় নিজের উপর চাপিয়ে ঈদের নামাযে আসা। নামায শেষে সবার সাথে গেলাম আনিস ভাই এর বাসায়। সেইখানে প্রথমে মিস্টি আর তারপরের খাবারটা ছিল অসাধারণ। খেতে খেতে একেবারে গলা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের সাথে একজন নতুন মেহমান ছিল। প্রথমে আমি খেয়াল করিনি। পরে দেখি একজন সুইডিশ নওমুসলিম । আমাদের সাথে এক সাথে নামায পড়ে আনিস ভাইয়ের বাসায় এসেছেন দাওয়াত খেতে। নও মুসলিম নিয়ে আমাদের এক্সাইটমেন্ট অন্যরকম হওয়ারই কথা।সৈকত ভাইয়ের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে ও গল্প করছিলেন। আমিও টোকা দিয়ে দেখলাম। কি বলে ও। প্রথমেই জি্জ্ঞাসা করলাম, কেমন লাগছে ঈদ?? হুম, ভালই লাগছে। আমাদের সাথে এই ভাবে ভরপুর্তি খেয়ে ও খুবই আনন্দিত। এত গুলো মানুষের সাথে ঈদ এর আনন্দ ভাগাভাগি করতে তার খুবই ভাল লাগছে। তারপরই জিজ্ঞাসা করলাম, কোথায় পড়াশুনা করছে?? সে পড়ছে স্টোকহোম ইউনিভার্সিটিতে এনথ্রোপিলজিতে। কিভাবে সে ইসলামে আসল জিজ্ঞাসা করাতে সে বলছিল--- আমি আগে থেকে গড এ ভিলিভ করতাম। তবে কোন ধর্ম গ্রন্থই পুওর মনে হত না। আমি সব সময় মেডিটেশান করতাম। জানতে চেষ্টা করতাম আসল গড এর অস্তিত্ব। এর মধ্যেই আমার সাথে পরিচয় হল মুসলিম এক মেয়ের। মেয়েটি প্রাকটিক্যাল মুসলিম ছিল না। তার কাছ থেকে কিছু কিছু বিষয়ে জানতে চেষ্টা করতাম। আমি তার কাছ থেকে জানতে পারলাম আবরাহাম, ইসাক ও যেকব এরা সবাই ইসলামের নবী। তাদেরকে ইসলাম স্বীকৃতি দিয়েছে। তারপর আমি মেয়েটির ভাইয়ের কাছ থেকে কিছু বই নিয়ে পড়াশুনা শুরু করি। নয় মাস আগে আমি ইসলাম ধর্মে গ্রহণ করি।&lt;br /&gt;তার কথাগুলো শুনছিলাম আর ভাবছিলাম, মানুষ সত্যকে জানার জন্য আগ্রহী হলে আল্লাহ কিভাবে হেদায়াত দিতে পারেন। সে পুরা কোরআন শরীফ শেষ করেছে, ইসলামের বেসিকগুলো শেখার চেষ্টা করছে। আর আমার কোরআন তো দুরের কথা ইসলামের স্বাভাবিক আচরণগুলোও পালন করি না। সে ইসলামকে জানার জন্য অনেক কষ্ট করছে, নিজের পড়াশুনা বাদ দিয়ে শুধু ইসলামকে জানার জন্য আলাদা কোর্স করছে। আর আমরা ইসলামী বই পু্স্তক তো দুরের কথা নিয়মিত কোরআনই পড়ি না। আমাদের চরিত্র দেখলে মানুষ ইসলামের দিকে আসতে চায় না। আমাদের দেখে কত লোক যে ইসলাম থেকে দুরে সরে গেছে আল্লাহই ভাল জানেন। তার কথাগুলো শুনার পর আত্মসমালোচনা হচ্ছিল। হায়রে, আমরা কতটুকু ভাল মুসলিম সেটা আমরা ভাল করেই জানি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনিস ভাইয়ের বাসা থেকে বের হয়ে আরেকটা বাসায় যাব। সেই ভাইয়ার বাসায় গিয়ে ঘটল আরেক ঘটনা। ভাইয়াকে ফোন করাতে ওনি বললেন ওনার আপার ছেলে মারা গেছেন দুইদিন আগে। তাই মন খুব খারাপ। ওনি আরেক বাসায় আছেন । ওই বাসায়ই দেখা করতে হবে। ঠিক আছে আমার বন্ধু মিজানকে নিয়ে গেলাম ভাইয়ার সাথে দেখা করতে। মৃত্যু বাড়িতে ঈদের আনন্দ আর কতটুকু থাকতে পারে? ভাইয়া আমাদের আপার কাছে নিয়ে গেলেন। আপার ছেলে দুই দিন আগে সাত তলার বেলকনি থেকে পড়ে মারা গেছে। ২০ বছরের ছেলেটি কম্পিউটারে কাজ করছিল, ওনি টেলিফোন এ ভিজি ছিলেন। এই অবস্থায় ছেলেটি ব্যালকুনিতে যায়। আপা কিছুক্ষন পরে ছেলেটিকে খুজতে গিয়ে কোথাও খুজে পাননি। ওর এক বন্ধুকে ফোন দেন। সেও জানায় তার ওখানে যায়নি। তার বন্ধুটি নিচে গিয়ে দেখে ২০ বছরের ছেলেটি নিচে পরে আছে। হঠাৎ করে কোন মানুষ উধাও হয়ে গেলে যেমন লাগার কথা সেইরকম লাগছিল আমাদের কাছে। মায়ের নাড়ি ছেড়া ধন ছেলেটি তার চোখের সামনে উধাও হয়ে গেল। আপা বার বারই বলছিলেন, “ আমাদের এত ভাল ছেলেটির কিভাবে এমন হল? ও আমার খুব অনুগত ছিল। সব সময় আমার কাছাকাছি থাকত। আমি বিশ্বাস করি না ও মারা গেছে। ও আসবে, আমি জানলা দিয়ে চেয়ে আছি ও আসবে। ও আসলে আমি ওকে জড়িয়ে ধরব।“ সন্ত্বনা দিব কি, নিজেরই কান্না পাচ্ছিল। এত কম বয়সেও মানুষ মারা যায়?? আপাকে ঔষধ খাওয়ানো হল। তিনি বলছিলেন, আমি তো অসুস্থ না আমাকে ঔষুধ খাওয়াচ্ছ কেন?? জানি না, আপুটা কবে স্বাভাবিক হতে পারবেন? তার আগের বাসা চেইঞ্জ করা হচ্ছে। আপাকে আর আগের বাসায় উঠানো হবে না। তার আত্মীয়স্বজনরা এমেরিকা,ইংল্যান্ড থেকে আসছেন। ছেলেটির বাবা এখন বাংলাদেশে আছেন। তিনিও ফ্লাইটে উঠেছেন। এত বড় শোক এর খবর পাওয়ার পর কার মন ভাল থাকে বলুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈদের দিন সকালে প্রেজেন্টেশান ছিল। সেটা চেইঞ্জ করা হয়েছিল প্রফেসরকে ম্যানেজ করে। সেই প্রফেসর ক্লাসের শুরুতে জানতে চাইলেন আবরাহাম এর কে ছিলেন? আমাদের কি ধরনের ফ্যাস্টিবল এইটা? আমাদের একজন গিয়ে মুল বিষয়টা বলল। সন্ধ্যায় বাসায় আসলাম। এর পর গেটটুগেদার এর প্রস্তুতি । ১৫ জনের মত মানুষ আসবে। সবাই কিছু না কিছু নিয়ে আসবে রান্না করে।আমি আর আমার রুমমেট এর ভাগে পড়েছে মুরগি। আমরা আগের দিন রান্না করে রেখেছি। আরেকজনের দায়িত্ব সবজি রান্না করা। সেই রান্নাতে তাকে সহায়তা করলাম। সবাই কিছু কিছু জিনিস নিয়ে গেটটুগেদার এ আসল। টেবিলে সব খাবার রেখে ফটোসেশান করা হল। মজার মজার গল্প আর বিশাল খাবার লিস্ট থেকে খেতে খেতে ১২ টা বাজল। বাসায় এসে নামাজটা পড়ে ঘুমিয়ে গেলাম। এইভাবেই কাটল আমার সুইডেনের শেষ ঈদ.......&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-2256538794353415994?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/2256538794353415994/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=2256538794353415994' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/2256538794353415994'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/2256538794353415994'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2011/04/blog-post_3917.html' title='হাসি কান্নার ব্যতিক্রমী ঈদ'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-3143498683621367605</id><published>2011-04-15T12:35:00.000-07:00</published><updated>2011-04-15T12:36:26.376-07:00</updated><title type='text'>মায়েদের কথা</title><content type='html'>শুরুতেই একটা শোক সংবাদ দিচ্ছি, মাসুম ভাইয়ের মা মারা গিয়েছেন। ইনলিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাইহি রজিউন। খালাম্মার ডায়াবেটিক ছিল। আগে থেকেই উনি অসু্স্থ ছিলেন। হঠাৎ করেই সুগারলেস হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার কিছুক্ষন পর মারা যান। মাসুম ভাই সু্‌ইডেনে থাকেন। পিচ্চি একটা বাচ্চা আছে তার। গতকাল সংবাদটা শুনেছিলাম। প্রথমে মনে করলাম হয়ত মাসুম ভাইকে চিনি না। প্রবাসী একজন ভাইয়ের মা মারা গেছে। তাতেই দু:খ লাগছিল। কিন্তু আজকে মসজিদে গিয়ে জানতে পারলাম আমার পরিচিত একান্ত কাছের মাসুম ভাই। হঠাৎ করে কারো মা যদি মারা যায় তাহলে ব্যাপারটা আসলেই কষ্টের।আমি যদি কালকে সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি আমার মা মারা গিয়েছেন তখন আমার কেমন লাগবে সেটা ভাবতেই গা শিউরে উঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন বছর আগের কথা । ব্লগের কণা(ছদ্মনাম) নামেরএকটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছিল। কণারা দুই বোন। দুই বোন পিঠাপিঠি। এক সাথেই গ্রেজুয়েশন করেছে। বান্ধবী, খেলার সাথী, ক্লাস মেট বলতে তারা দুইবোন। একদিন কণার বড় বোন এর বিয়ে হয়ে যায়। কণা একা হয়ে যায়। কণার কিছুই ভাল লাগত না। খালামনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় মায়ের সেবাই করত কণা। ও বাহিরে বের হত না ।ভাল চাকরি ছিল, তাও ছেড়ে দিয়ে ছিল মায়ের সেবা করার জন্য। মাঝে মাঝে ইন্টারনেটে ঢু মারত। কণার কষ্ট গুলো ভালই বুঝতে পারতাম আমি। একান্ত একাকী অসুস্থ মাকে নিয়ে কণার সেই সংগ্রাম আমাকে অনেক প্রেরণা দিত। খালামনির সাথে দেখা করার ইচ্ছা ছিল। অসুস্থ মানুষ ইন্টারনেটে পরিচিত একজন ছেলের সাথে দেখা করবে কিনা সেটা নিয়ে অনেকটুকুই কনফিউশানে ছিলাম। তাই খালামনিকে দেখতে যাওয়া হয়নি । কণার বিয়ের আগে দাওয়াতের কার্ডটি পাঠিয়ে দিয়ে বলল দোয়া করতে। কার্ড দেখে বুঝতে পারলাম তার টিচারের সাথেই বিয়ে হচ্ছে কণার। এই ব্রিলিয়ান্ট মেয়ের এই রকম বরই প্রাপ্য। সেই বিয়েতে যাওয়া হয়নি, যাওয়ার কথাও ছিল না শুধু দোয়া টুকু ছিল তার জন্য। সেই অসুস্থ খালামনিকে খুব দেখতে ইচ্ছা করে এখন। অনেকদিন যোগাযোগ নাই কণার সাথে। এইবার দেশে গেলে খালামনির সাথে দেখা করার চেষ্টা করব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাহিন ভাইয়া কানাডা থাকেন। আগে থেকেই পরিচিত। পাবনাতে বাসা।অনেক ভাল মানুষ। খালামনি একদিন রাস্তায় হাটতে গিয়ে ট্রাকের সাথে এক্সিডেন্ট করলেন। একটা চলন্ত ট্রাক তার পায়ের উপর দিয়ে চলে গেল। প্রবাসে থাকা শাহিন ভাইয়ের কান্নাটা ঠিকই বুঝতে পারছিলাম। আমাদের মেইল করে বলেছিলেন খোজ নেয়ার জন্য। খালামনির খোজ নিয়ে ছিলাম। আলসে করে সেই খালামনির সাথে দেখা করা হয়নি। শাহিন ভাইয়ের মা আমারও মা। কেন জানি এখন আমার মনে হয় যদি আমার মায়ের উপর চলন্ত ট্রাক উঠে যায়, তখন শাহীন ভাইয়ের মত কান্না করা ছাড়া আমার কি করার থাকবে । এখন বুঝতে পারছি তার সাথে দেখা করা উচিত ছিল। দেশে গিয়ে সুযোগ পেলেই সেই খালামনির সাথে দেখা করব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অস্ট্রেলিয়াতে থাকত একান্ত কাছের ভাইবোন। সব সময়ই ওদের সাথে যোগাযোগ ছিল। সেই সময়ে আমি জানতে পারি তাদের মা, আমার খালামনি অসুস্থ।খালামনি বিশাল এক রোগে ভুগছেন।তার কথা মনে হলেই অন্তর থেকে দোয়াগুলো বেরিয়ে আসত। অনেক সম্মান আর শ্রদ্ধার সাথে তাদের কথা স্মরণ করতাম। তারা দেশে আসবেন । শুনে মনটা অনেক ভাল লাগছিল। অন্তত প্রবাসে থাকা খালামনির সাথে দেখা হবে। শামীম ভাইয়ের আত্মীয় হন সেই খালামনি। আগে থেকেই জেনে নিয়ে ছিলাম তারা অনেক ভাল। অনেক আশা নিয়ে ইমতিয়াজ (ছদ্মনাম) কে বললাম। তোমার মা বাবার সাথে দেখা করতে চাই। ইমতিয়াজ কেমন জানি হয়ে গেল। সে বলে বসল আপনি এখন দেখা করতে পারবেন না। আমার আব্বু অনেক বিজি । উনি সারাক্ষন বাসার বাহিরে থাকেন। আর আমরা তো মামার বাসায় থাকি। আমার মামার বাসায় বসার জায়গা নাই। আপনি মামার বাসায় যেতে পারবেন না। আমি অবাক!! কি বলে এই ছেলে। এতদিন ধরে যেই মানুষগুলোকে এত আপন জেনে এসেছি সেই মানুষদের সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না বিভিন্ন টালবাহানা করে। আমার বুঝতে বাকি রইল না। খালামনি তার মা সুলভ কাজটি করছেন না। যেই খালামনিকে আমি চিনতাম তিনি সেই খালামনি আর নেই । ইমতিয়াজ নিশ্চয়ই তার মায়ের নির্দেশেই আমাকে তার সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না। সেই খালামনির সাথে হয়ত সারাজীবনে কোনদিন দেখা হবে না। দেখা হবার কথাও নেই।শুধু এই টুকু বলে রাখি, আপনি আপনার সন্তানের জায়গায় আমার অবস্থাটা বসিয়ে একবার চিন্তা করুন। আপনি যে কাজটা করেছেন সেটা কি ঠিক করেছিলেন ??&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবশেষে নিজের মায়ের কথা বলতেই হয়। মা মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে যান।তার টেককেয়ার করার জন্য আমার বোন আছে। আশা করছি বোনেরও কিছুদিন পর বিয়ে হয়ে যাবে। আমার মা একা হয়ে যাবেন। মাকে নিয়মিত ইনসুলিন নিতে হয়। শাহিন ভাইয়ের আম্মুর মত নিয়মিত রাস্তায় হাটতে বের হন। শুধু ভয় হয় কোন দিন কোন ট্রাক এসে যেন উঠে যায় আমার মায়ের উপর। তখন প্রবাসে থেকে হয়ত একই ভাবে কান্না করব । আমার মা মাছুম ভাইয়ের আম্মুর মত হঠাৎ করে নিরুদ্দেশ হয়ে গেল আমি কোথায় পাব আমার মা। আমার কোথায় পাব মায়ের আচল? যেই আচলে মিশে আছে আমার সুখদু:খ বেদনা। আল্লাহ তুমি আমার মাকে হায়াত দাও তাকে সু্স্থ ভাবে বেচে থাকার তওফীক দাও। আমীন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-3143498683621367605?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/3143498683621367605/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=3143498683621367605' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/3143498683621367605'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/3143498683621367605'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2011/04/blog-post_15.html' title='মায়েদের কথা'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-3055669959908994270</id><published>2011-04-15T12:34:00.000-07:00</published><updated>2011-04-15T12:35:41.530-07:00</updated><title type='text'>স্বজন হারানোর বেদনা</title><content type='html'>বাংলাদেশে স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় টিউশনি করতাম। পড়াতে কখনো মন্দ লাগত না। সেই থেকেই শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে নেয়া। সুইডেনে একটা টিউশনি পেয়ে গেলাম। ছাত্র অসাধারণ ভাল। এ প্লাস (৮০%) বললে ভুল হবে ৯০% মানের। সবগুলোতে ভেরি ভেরি গুড পাওয়া। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যা বলছিলাম পড়াচ্ছি একটি বাঙালী ফ্যামিলিতে । পরিবারের ভাইয়া ভাবী সবাই আগের পরিচিত। ভাইভাবী অনেক আন্তরিক। সেইদিন ভাবী বলছিলেন হঠাৎ করেই তাদের বাংলাদেশ যেতে হচ্ছে। তার শাশুড়ী আম্মা খুব জোড়াজুড়ি করছেন দেশে যাওয়ার জন্য। শেষ বারের মত যেন তাদের দেখে আসেন । অনেক তাড়ার কারণে ভাইভাবী আর তিন বাচ্চা মিলে হঠাৎ করেই সুইডেন থেকে বাংলাদেশ যাচ্ছেন। অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। মায়ের মনের কথা ভেবে যেতে হচ্ছে। ভাবী যখন এই কথাগুলো বলছিলেন তখন একবারের জন্যও মনে হয়নি খালাম্মা (ভাইয়ার মা) মারা যাবেন। গতদিন শুনতে পেলাম খালাম্মা মারা গেছেন। শুনেই ভাবীর কথাগুলো মনে পরছিল। আজকে ভাইয়ার সাথে কথা বল্লাম। ওনার জন্য দোয়া করতে বলেছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন। তাদের ধৈর্য্স ধরার তৌফিক দান করুন।&lt;br /&gt;সময়টা অনেক আগের। তখন আমার মামা আজিমপুরে একটি মসজিদে ইমামতির চাকরি করতেন। আমার আম্মার নানা মানে আমার বড় আব্বা অনেক পরহেজগার মানুষ ছিলেন। সব সময় আল্লাহ ও তার রাসুলের গল্প করতেন। একবার আমি নানু বাড়ি গেলাম সেই সময়ে বড় আব্বা সেখানে ছিলেন। আমি তার কাছে গল্প শুনতে চাইলাম। ওনি আমাকে শুনালেন বলত, সব চেয়ে বড় কে? কার পেট সব চেয়ে বড়? আল্লাহ কোথায় থাকেন? ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন আমি অনেক ছোট এত কিছু বুঝতাম না। কিছুক্ষণ পর ভাল না লাগায় ওনার কাছ থেকে চলে গিয়েছিলাম। অনেক পরহেজগার মানুষ । ভুত প্রেত এর গল্প করা হয়ত তিনি পছন্দ করতেন না। তাই তিনি এই গল্প করতে চেয়েছিলেন। আমার বড় আব্বার একটা ইচ্ছা ছিল ওনার নাতি মানে আমার মামা যেন তার নামাযে ইমামতি করেন। তখন কমিউনিকেশন সিস্টেম আজকের মত এত উন্নত ছিল না। আমার মামা হঠাৎ করে বাড়ী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি বাড়িতে যাওয়ার পর বড় আব্বা মারা যান। বড় আব্বার নামাযে জানাযা মামার ইমামতিতেই হয়েছিল। অনেক মানুষ হয়েছিল সেই জানাযায়। খুব অবাক করা ব্যাপার মামা যদি সে সময় গ্রামে না থাকতেন হয়ত তিনি নামাযে জানাযা পড়াতে পারতেন না। কি কাকতালীয়ভাবে ব্যাপারটা ঘটেছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কেন জানি মনে হয়, ভাল মানুষরা কোন ইচ্ছা করলে আল্লাহ সেটা পুরণ করে দেন। হয়ত ইচ্ছাটা অনেক ছোট, তার মৃত্যুর সময় এই মানুষগুলোকে সে দেখতে চায়। তার আশেপাশের ভাল ও প্রিয় মানুষগুলো যদি মৃত্যুর সময়, কঠিন সময়টিতে থাকে হয়ত সেই মানুষটির কষ্ট কম হয়। তাই আল্লাহ তার শেষ ইচ্ছাটা পুরণ করার ব্যবস্থা করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাদের আপনজন চিরদিনের জন্য চলে যায় তারাই বুঝতে পারে প্রিয়জন হারানো কত কষ্টের। তাই তো সেই গানটি আজও কানে বাজে---&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যার চলে যায় সেই বুঝে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা....&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-3055669959908994270?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/3055669959908994270/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=3055669959908994270' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/3055669959908994270'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/3055669959908994270'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2011/04/blog-post.html' title='স্বজন হারানোর বেদনা'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-4351359410985363554</id><published>2010-09-30T11:25:00.000-07:00</published><updated>2010-09-30T11:28:02.794-07:00</updated><title type='text'>thinking this ayat</title><content type='html'>"Women of bad character are for men of bad character and men of bad character are for women of bad character. And the women of pure character are for men of pure character, and the men of pure character for the women of pure character.... " (XXIV : 26. ) &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;what will happen next??---thinking ......thinking&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-4351359410985363554?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/4351359410985363554/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=4351359410985363554' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4351359410985363554'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4351359410985363554'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2010/09/thinking-this-ayat.html' title='thinking this ayat'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-7060385279902744465</id><published>2010-04-19T03:19:00.001-07:00</published><updated>2010-04-19T03:19:49.832-07:00</updated><title type='text'>গল্পটা এখনও চলছে......</title><content type='html'>আমি গল্প দেখি। লেখি না, লেখতে ভাল লাগে না। লেখা তো লেখকদের কাজ। আমার কাজ দেখে যাওয়া এইসব থেকে শিক্ষা নেয়া। নতুন নতুন মানুষের নতুন নতুন গল্প। সবগুলোই কেমন জানি অন্যরকম। একটা সাথে অন্যটার কোন মিল নাই। এই গুলো সবই জীবনের গল্প।&lt;br /&gt;মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া গল্পগুলো থেকে আমি শুধু শিক্ষা নিতে চাই। সেই শিক্ষা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন। অন্য কোন কিছু না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কিছু মানুষকে দেখলে গা জ্বলে উঠে। দেখতে পাচ্ছে এখানে অন্যায় হচ্ছে তারপরও বাধা দিবে না।তার একটা কথাতেই হয় তো মানুষটি বদলে যেতে পারে। কিন্তু বলবে তো নাই। তারপর যে অন্যায়কারীকে বাধা দিতে যাবে তাদের উপর চরাও হবে। যে বাধা দিতে গিয়েছিল তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ। অন্যায়কারীর পক্ষ নেয়ার জন্য আমি মনে করি, ওই লোকটির আগে শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। আরে, অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে সবই একই অপরাধে অপরাধী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের দেশে প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে সরকার চেঞ্জ হয় । এই বার বিএনপি তো ওইবার আওয়ামীলীগ। সরকারের পদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাষ্ট্রের যাবতীয় জক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। এত এত কাজ করেও কোন ভাবেই তিনি জনগণের মন পান না। কারণ তিনি আইন শৃংখলা ঠিক রাখতে চাইলেও দলের অন্যান্য নেতারা সেটা রাখতে দেন না। ফলাফল আর কি, দেশের আইন শৃংখলার মারাত্মক অবনতি। দলের স্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতেই হয় --দেশের আইন শৃংখলা অনেক অনেক ভাল। যদিও ভয়ে থাকেন যদি আগামীবার ক্ষমতায় না আসতে পারি আমাকে সোজা জেল এ যেতে হবে।তখনো মন্ত্রীকে বুঝানো হয় আগামী দশ বছর কি আগামী পঞ্চাশ বছরেও আমাদের সামনে কেউ দাড়াতে পারবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুদিন আগে দেখলাম, নিরীহ ছেলেদের ধরে ধরে জেল খানায় ঢুকানো হচ্ছে। আহারে বেচারা রা!!! যারা মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, চাদাবাজি, মাস্তানী করে না। তাদেরকে জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ঢুকানো হচ্ছে। তাদের একটাই অপরাধ তারা একটি ইসলামী দলের সমর্থন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এই অন্যায়টির পক্ষে অনেক অনেক কথা শুনেছি মানুষগুলোর কাছ থেকে। যারা এই ধরনের একটা অন্যায় কাজকে সহায়তা করেই ক্ষান্ত হননি। যারা এর বিপক্ষে কথা বলেছেন তাদেরকেও বিভিন্ন ভাবে গালমন্দ করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি সেই সব অন্যায়কারী আর অন্যায়ের সাহায্যকারী শাস্তি টা নিজের চোখে দেখতে চাই.... আপনারাও দেখবেন আশা করি.........&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-7060385279902744465?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/7060385279902744465/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=7060385279902744465' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7060385279902744465'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7060385279902744465'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='গল্পটা এখনও চলছে......'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-7566803834985704087</id><published>2009-06-19T03:19:00.001-07:00</published><updated>2009-06-19T03:19:47.153-07:00</updated><title type='text'>স্বপ্ন ও বাস্তবতা!!!</title><content type='html'>কয়েকদিন ধরে মনটা বিশেষ একটা ভাল নাই। ধুর, কিচ্ছু ভাল লাগে না। যে জীবনে কোন ফিলিংস নাই সেটা আবার জীবন হল। “চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী” টাইপের জীবন আর ভাল লাগে না। ইউনি ভার্সিটির ক্লাস আর পড়াশুনা এগুলোর বাইরেও তো আরেক জীবন আছে। নিজের জীবন, প্রিয়তমার জীবন , তার হাত ধরে ঘুরতে যাওয়ার জীবন, কত্ত কিছু! উফ কবে আসবে সেইদিন, অনতত বুঝতে যদি পারি কে হচ্ছে আমার সেই প্রিয়তমা তাহলে তো মন্দ হয় না। কতই না এক্সাইটমেন্ট এই ইস্যুতে!&lt;br /&gt;আজকে রাতের স্বপ্নটা ছিল অসাধারন। হ্যা, আমি দেখেছি আমার প্রিয়তমাকে। একবারে ডানা কাটা পরী। স্বপ্নে আমি আল্লাহর কাছে যা চাচ্ছি তাই হচ্ছে। বলছি, আল্লাহ এটা করে দাও। তিনি সেটাই করে দিচ্ছেন। একবার মনে আসল আচ্ছা, আমার প্রিয়তমা কে হবে। এটা কি জানা যাবে? এমনি আমার সামনে এসে হাজির হল আমার প্রিয়তমা। দেখতে খুবই সুন্দরী । অসাধারণ এক তন্বী নারী আমার সামনে। আমি তাকে দেখে বললাম, ওহ! এই মেয়ে। আমি তো একে চিনি। ঘুমের ভিতর দেখেই আমার খুশি খুশি লাগছিল। হ্যা, সকালে উঠে আমি এর ব্যাখ্যা করতে বসলাম। মেয়েটি ছিল আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী।  আমি যে রকম চাই সেই রকম মেয়ের সাথেই আমার বিয়ে হবে। তাকে চেনা চেনা লেগেছে তাহলে তার সাথে আমার মনের মিল হবে খুব বেশি। আর সে হবে আমার আগের পরিচিতি।উফ, স্বপ্নটা দেখে কতই না ভাল লাগছে। লজিক দিয়েই স্বপ্নটাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলাম। তাতেই মনটা খুব ভাল লাগল। অন্যরকম একসাইটমেন্ট! এই না হলে জীবন!!&lt;br /&gt;আমি মনে মনে হাসি যাই হোক আমার জন্য ভাল কিছুই আছে। আল্লাহ আমার জন্য  ভাল একটা মেয়ে রেডি করে রেখেছেন।কাউকে তার স্বপ্নের কথা বলতে শুনলে আগ্রহ নিয়েই শুনি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেইদিন আমার বোন আমাকে বলছিল, সে অনেক খারাপ একটা স্বপ্ন দেখেছে। এক সাথে দুইটা মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে। বলতে বলতে সে হাসতে থাকে। সে বলছিল-- আমার বান্ধবী রিনি আর ওর বয় ফ্রেন্ড এর সাথে আমার  খুবই ভাল সম্পর্ক ।তাদের উপর মাঝে মাঝে আমি রেগে উঠি কারণ তারা ফ্রী মিকসিং করে। আমার এই সব একদম পছন্দ হয় না। তাদের উপর রাগ করে আমি তাদের পর পর দুইটা গুলি করে তাদের হত্যা করে ফেললাম।তাদের হত্যার পর পিস্তলটা আমার হাতেই ছিল। আমি পিস্তলটা লুকানোর চেষ্টা করলাম। আমার হাতে ওদের রক্তের দাগও ছিল। আমি এটা লুকানোর কথা একে বারেই ভুলে গেলাম। আমার মাথাটা আসলেই গরম । মাথা গরম হয়েছে তাই বলে একসাথে জোড়া খুন করে ফেলব তাতো হতে পারে না। খুন করে আমি পুলিশের হাতে ধরা দিতে চাইলাম না। আমি লুকোচুরির চেষ্টা করছি। এই ভয়ে আছি, যদি কেউ বুঝতে পারে আমি এই হত্যা করেছি তাহলে আমার বাবা-মা মানুষের কাছে ছোট হয়ে যাবে। আমি বার বার চেষ্টা করছি বাচার জন্য।আমি ধরা খেলে জেলে চলে যাব, এতে শাস্তি পেয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার সুযোগ আছে।কিন্তু এই ভয়ে আমি ধরা দিচ্ছি না একজন জেল খাটা মেয়েকে বিয়ে করবে কে?  কি সুন্দর লজিক!! ঘুমের মধ্যেও লজিক আমার ঠিক ছিল। এই অবস্থায় আমার ঘুম ভেংগে গেল। এটা বলেই ও ফিক করে হাসি দিল। যাক, এটা স্বপ্নে হয়েছিল বলে রক্ষা। আমার বোনের কথা গুলো শুনে ভাবতে লাগলাম এর ব্যাখ্যা কি হতে পারে? তার ঘনিষ্ট দুইজন মানুষকে সে খুন করেছে। মানে কি? মানে হল, তার সাথে ঘনিষ্ট দুইজন মানুষের সাথে সে প্রতারনার আশ্রয় নিবে । যারা হবে তার একান্ত কাছের। তারপর সে এটা লুকানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু লুকোতে পারবে না। কারণ এর সিমটম তার গায়ে লেগে থাকবে। সে  এর জন্য অনুতপ্ত হবে। কিন্তু শুধরানোর কোন সুযোগ সে পাবে না। সে মনে মনে ভাববে যদি আমি স্বীকার করলে সবার কাছে  আমার আপনজনরা ছোট হয়ে যাবে । তারপর সে এটা তার জীবনে বিশাল রকমের জটিলতা তৈরী করবে। উফ, আমি এইগুলো কি ভাবছি। না, এই ব্যাখা মেনে নেয়া যায় না। এই রকমই স্বপ্ন সত্য হতেই পারেই না। আমি যা লজিক দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি তা কোনদিন হবেও না। আমার বোনটার জীবনে এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটবেও না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে আমি  কেনই বা স্বপ্নের ব্যাখ্যা  লজিক দিয়ে করতে গেলাম। আর আমি তো আমার ভবিষ্যত জানি না। আমি জানি না কোথায় আছে আমাদের আগামীদিনগুলো। আমি ভুলে যেতে চাই আমার স্বপ্নের ব্যাখ্যাগুলো । ভাবতে চাই, আমরা সবাই স্বাভাবিক একজন মানুষ। যারা ভবিষ্যত সম্বন্ধে কিছুই জানি না। আমরা কাজ করে যেতে আসছি, কাজ করে যাচ্ছি। এইত আমাদের জীবন। যা আমাদের নিয়তি তা হবেই। আল্লাহ এই ধরনের বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে আমাদের তুমি রক্ষা কর। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[এই গল্পটা সম্পূর্ণ আমার কল্পনার । এটার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নাই। ]&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-7566803834985704087?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/7566803834985704087/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=7566803834985704087' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7566803834985704087'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/7566803834985704087'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2009/06/blog-post_19.html' title='স্বপ্ন ও বাস্তবতা!!!'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-9005597337180901843</id><published>2009-06-19T03:17:00.000-07:00</published><updated>2009-06-19T03:18:48.751-07:00</updated><title type='text'>আমার মা</title><content type='html'>মাকে নিয়ে লেখতে বসে কিভাবে যে শুরু করব সেটাই বুঝতে পারছি না। কোন দিক রেখে কোন দিকের কথা যে বলব সেটাই বুঝতে পারছি না। আমার মা, মায়ের সাথে আমার পরিচয় আমার জন্মেরও দশ মাস আগে। হা, তার গর্ভেই আমার জন্ম। তার মাধ্যমেই আমি এসেছি এই পৃথিবীতে। অজানা এই পৃথিবীতে তিনিই ছিলেন আমার একমাত্র আপন। তিনিই ছিলেন আমার একান্ত কাছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার নানার অজ পাড়াগায়ের বাড়ীতেই আমার জন্ম । মায়ের বিয়ের পর মা চলে গেলেন আমার দাদার বাড়ী। আমার দাদার বাড়ী ছিলো আরো অজ পাড়া গায়ে। বাড়ীর ছোট বউ হওয়াতে বিয়ের প্রথম দিকে মা বেশিই বাপের বাড়ী থাকতেন। বাবা থাকতেন সিলেটে। মাসে আসতেন আবার চলে যেতেন। মা একা একাই থাকতেন। এই অবস্থায় আমার নানা বাড়ীতে আমার জন্ম হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা যখন দাদা বাড়ী যেতেন তখন আমার নানা বাড়ীর জন্য সব সময়ই মন কাদত। আমার দাদা বাড়ী থেকে আসতে মাকে অনেক টাকার রিক্সা ভাড়া গুনতে হত। মা এই টাকা আস্তে আস্তে জমিয়েই তারপর আমার নানা বাড়ি আসতেন। আমার দাদা বাড়ী ছিল গ্রামের দক্ষিণ কোনায়। মার কাছে শুধুই মনে হত, ইস, তার শ্বশুর বাড়ীটা যদি উত্তর কোনায় হত তাহলে কতই না সহজে উনার বাপের বাড়ী যেতে পারতেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মা, পড়াশুনা বেশি একটা করতে পারেননি। তিনি যখন ক্লাস এইটে তখন আমার মামা তার স্কুলে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। তারপরও তিনি তার পড়াশুনা বন্ধ করা যায়নি তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে ঠিকই স্কুলে যেতেন। মা একেবারেই খারাপ স্টুডেন্ট ছিলেন না। ক্লাস নাইনে উঠার পর মামা আমার মার বইগুলো লুকিয়ে ফেলেন । এরপর থেকে মার পড়াশুনা আর এগোই নি।সেই যে পড়া বন্ধ হল তা আর হয়ে উঠেনি। আমরা যখন ছোট ছিলাম মা আমাদের পাশে বসে আমাদের বইখাতাগুলো নাড়তেন আর দেখতেন কিভাবে আমরা পড়ি। মা সবসময়ই আমাদের পড়াশুনার ব্যাপারে কেয়ারফুল ছিলেন। সেই ছোট বেলা থেকেই দেখতাম আমার মা আমাদের স্কুলের জামা কাপড়গুলো কত যত্ন সহকারে ইস্ত্রি করে দিতেন।  &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা যখন ঢাকায় আসি তখন আমার মামাই আমাদের  ঢাকায় নিয়ে আসেন। মায়ের জমানো টাকা ভেংগে আমাদের গাড়ি ভাড়া দিতে হয়। আমাদের ছোট্ট বাসায় আমরা মাত্র চারজন মানুষ  আমি, মা-বাবা আর আমার এক বছরের ছোট বোন। গ্রামের বাড়ি থেকে আসার কারণে মার খুব বাড়ীর জন্য মন কাদত। তিনি বিভিন্ন সময় বাড়ীর জন্য কান্না কাটি করতেন। নতুন সংসারে আমাদের কিছুই ছিল না। শুধু একটা খাট দিয়েই শুরু করতে হয় আমার মায়ের সংসার। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মা বিভিন্ন সময় আমার মাধ্যমে পাশের বাসার খালাম্মাদের কাছ থেকে হাওলাত নিতেন। টানাটানির সংসার হাওলাত না করলে চলতই না। আমিও এনে দিতাম সেই টাকাগুলো। একবার আমি এক বিপদে পড়লাম। আমি এক বড় ভাইয়ের লাটিম হারিয়ে ফেল্লাম। সেই লাটিম কিনে দেওয়ার মত টাকা আমার নেই। আমি কি করি? অবশেষে বুদ্ধি করে মায়ের নামে মিথ্যে বলে দশ টাকা হাওলাত নিলাম। কিছু দিনের মধ্যে ধরাও খেয়ে গেলাম। সেই পিচ্চি বয়সেই আমাকে আমার মা অনেক মানুষের সামনে কান ধরে উঠবস করালেন। সেই শিক্ষাটা আমি আজও ভুলতে পারি না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt; একবার আমার মায়ের সাথে আমার বাবার প্রচন্ড ঝগড়া হয়। মা রাগ করে বাসা থেকে বেড়িয়ে যান। আমি উনাকে খোজার জন্য বিভিন্ন জায়গায় যাই। বাসার ছাদ, বিভিন্ন বাসা এমন কি আমি রেল লাইনে পর্যন্ত মাকে খুজতে যাই। তাকিয়ে তাকিয়ে খুজছি আমার মা কোথায় আছে? হ্যা, মাকে পাওয়া গিয়েছিল । আমার মা গিয়ে ছিলেন আমার এক দাদার বাসায়। অবশেষে দাদা আমার মাকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে বাসায় দিয়ে যান। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মা বেশী শিক্ষিত না হওয়ায় ভার্সিটি কি জিনিস, তিনি তা বুঝতেন না।ওনার এক বান্ধবীর কাছে শুনলেন যে ওনার ছেলে সিলেট ভার্সিটিতে পড়ে । আমার মা মনে করেছিলেন হয়ত উনার ছেলে অনেক বড়। তাই ভার্সিটিতে পড়ে। অথচ সেই মায়ের সন্তান হয়েই আমরা দুই ভাইবোন আজ ভার্সিটি পড়ছি। আমি ভার্সিটিতে চাকরিও করছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মা সব সময়েই আল্লাহর উপর ভরসা করার কথা বলতেন।আমি তখন ইন্টার পাশ করার পর ভার্সিটি এডমিশন দিচ্ছি। কোন জায়গায়ই আমার হচ্ছিল না। কি যে খারপ অবস্থা? তারপরও মা আমার জন্য দোয়া করতে থাকলেন। হ্যা, তারপরই কম্পিউটারের মত ভাল সাবজেক্ট এ আমার চান্স হয়। শুধু মাত্র মায়ের দোয়ার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছিল। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরেকটি ঘটনা, আমার তখন অনার্স ফাইনাল এক্সাম হচ্ছে। সেই সময়ে আমি প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে গেলাম। হাসপাতালে ভর্তি করানো ছাড়া কোন উপায় ছিল না। এইদিকে আমার বন্ধুরা ছাত্রজীবনের শেষ পরীক্ষা দেয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠল। তখনও  দুইটা ফাইনাল এক্সাম বাকী। আমার জন্য তিনবার পরীক্ষা পিছানো হল। আমার বন্ধুরা আর আমার জন্য ওয়েট করতে রাজী না। এইবার পরীক্ষা না দিলে একেবারে ইয়ার লস। পাক্কা এক বছর বসে থাকতে হবে। আমি এতই অসুস্থ যে পড়াশুনা কি জিনিস সেটাই ভুলে গেছি। আম্মাকে পরীক্ষা কথা বলাতে তিনি বললেন আল্লাহর উপর ভরসা কর। আল্লাহ যেন তোমাকে তোমার মঙ্গলটা দেন। সেইসময় মায়ের দোয়ার কারণেই আমি রক্ষা পেয়েছিলাম পুরা একবছর শিক্ষা জীবনের লস থেকে। আমি সুস্থ হয়েই পরীক্ষা দিতে পেরেছিলাম সেই সময়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মা একে বারেই কোন কিছুর প্রতিশোধ নেওয়া পছন্দ করেন না। কিছুদিন আগের ঘটনা, একটা পরিবার আমার সাথে বিশাল রকমের গাদ্দারী করল । আমি এই দিকে বলতেও পারছি না কাউকে বিষয়টা। মাকে শুধু ফোন করে বললাম আমার জন্য দোয়া করো, আমি বিশাল এক বিপদের মধ্যে আছি। আমার মা আমার জন্য দোয়া করলেন। তারপরও আমার কান্নাকাটি থামছে না দেখে আমার মা আমার পাশে বসে আমার মাথায় হাত দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন , কি হয়েছে বাবা? তুই আমাকে বল। কাউকে কিছু না বলার শর্তে আমি আমার মাকে সব ঘটনা খুলে বললাম। তিনিও আমার সাথে  কাদলেন। অবশেষে বললেন, আল্লাহ যা করে ভালর জন্য করে।তুই ওদের কোন ক্ষতি করবি না। শুধু আল্লাহর কাছে বিচার দে যেন আল্লাহ তাদের শাস্তি দেন।      &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আচ্ছা, আমি আমার মার কাছে কখন যাই। আমার যখন খুব সমস্যা আমি তখনই ছুটে যাই মায়ের কাছে। জ্বরাক্রান্ত হলে মা যদি পাশে বসে গায়ে হাত বুলিয়ে দেয় তখন কতই না ভাল লাগে। মাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে কতই না ভাল লাগে। আমার বিপদের দিনগুলোতে তিনি থাকেন আমার পাশে। একান্ত পাশে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর আমি! আমার অফিসের ব্যস্তার কারণে মাকে ঠিক মত সময় দিতে পারি না। মা হয়ত বললেন আমার আজকে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া দরকার সেইসময় বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি যেতে পারি না মায়ের সাথে। মায়ের অভাব গুলো বুঝতে পারি না।মাকে বিভিন্ন সময় বুঝে না বুঝে কষ্ট দেই। সেই মাই আমার পাশে থাকেন সারাক্ষণ, আমার দু:খের দিনগুলোতে তিনিই আমার সাথী। সুখের দিনগুলোতে আমি এই আমি একেবারেই ভুলে যাই আমার মাকে। মার সেই ক্লান্তি মাখা মুখের কথা একেবারেই মনে করতে পারি না। মনে থাকে না আমার মায়ের কষ্টগুলো। মাকে যখনই ফোন করে জিজ্ঞাসা করি মা কেমন আছ? তিনি কখনও শরীর খারাপ থাকলেও বলেন না যে তিনি খারাপ আছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু্দিন পরেই হয়ত বাংলাদেশ ছেড়ে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে আমাকে চলে যেতে হবে। আমার মা, আমার একান্ত কাছের মা থেকে চলে যাব অনেক দুরে। হয়ত আবার দেখা হবে দুই তিন বছর পর। এইদিন  গুলো আমার মা কেমন থাকবেন?  হয়ত আমি ফোন করে কথা বললে অসুস্থ অবস্থায়ই বলবেন তিনি ভাল আছেন। আমার জন্য জায়নামাজে বসে বসে দোয়া করবেন। নিষ্ঠুর দুনিয়ায় আমার মা থেকে আমি আলাদা হব। আমার বউ হবে, বাচ্চা হবে। তাদের নিয়ে আমি দেশে দেশে ঘুরে বেড়াবো।আর আমার মা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকবেন এই বাংলাদেশে। বাংলাদেশের মাটিতে। হয়ত আমার মা আরো অসুস্থ হবেন, একদিন মারাও যাবেন।দেশের মাটিতে এসে তার কবরের পাশে দাড়িয়ে শুধু আমি কান্নাই করে যেতে পারব। &lt;br /&gt;[এই লেখাটি উৎসর্গ করলাম বর্তমান ও আগামী দিনের মা দেরকে।]&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-9005597337180901843?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/9005597337180901843/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=9005597337180901843' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/9005597337180901843'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/9005597337180901843'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='আমার মা'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-2731595937384265780</id><published>2009-03-20T16:45:00.000-07:00</published><updated>2009-03-20T16:48:48.277-07:00</updated><title type='text'>মা! তুমি আমায় ক্ষমা করো।</title><content type='html'>মা এবার বাড়ী যেয়ে তোমার সাথে বেশি সময় দিতে পারিনি। আমি কানাডা থেকে বাংলাদেশে আসছি শুনে নিশ্চয়ই তুমি অনেক খুশি হয়েছিলে। আমার বাংলাদেশে আসাটা ছিল তোমাকে দেখার জন্য নয় । আমি এসে ছিলাম আমার একমাত্র কন্যাকে বিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাড়াও! একটু দাড়াও!! আমার বিছানার পাশের টেবিল লাইটটা নিবিয়ে আসি। মা, এখানে এখন রাত দুইটা। আমার বিছানায় শুয়ে আছে আমার স্ত্রী রোজ। যাকে নিয়েই আমার এত কষ্ট।আমার এত কিছু। আমি যখন কম্পিউটারের কিবোর্ড এ কাহিনীগুলো লিখছি তখন আমার ছেলে মেয়ে আর তোমাদের বৌমা অঘোরে ঘুমচ্ছে।তারা ঘুমাক তাদের না জানিয়েই আমি লেখে যেতে চাই আমার কাহিনীগুলো। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশে আসার দিনই আমি ওকে বলেছিলাম। চল আমাদের বাড়ী যাই। না, তার এক কথা প্রথমে ওদের বাড়ী যেতে হবে। কি আর করব। তার ভাইয়ের উত্তরার বাড়ীতেই আমাদের উঠতে হল। সেইদিন দুপুরেই আমরা চলে গেলাম আমার ছেলেমেয়ের নানা বাড়ী।অনেক দিন পর বাংলাদেশে আসার কারনে তুমি মনে করেছিলে আমি সবার আগে তোমার কাছেই যাব। কিন্তু আমি পারলাম না মা। শুধু ওদের মামার মোবাইল থেকে তোমার সাথে কথা হল। আমার কথাগুলো খুবই সংক্ষিপ্ত ছিল। নিশ্চয়ই তুমি বুঝতে পারছিলে আমার পাশে আমার প্রাণের প্রিয়তমা রয়েছে। হায়রে দুনিয়া! ছেলে তার মায়ের কাছ থেকে পৃথক হয় তাও আবার এই ভাবে। মা, তুমি অসুস্থ ছিলে এটা আমি জানতাম। আমি বুঝতে পারছিলাম তোমার সাথে এটাই আমার শেষ দেখা । তোমাকে সারাজীবন তো আর সময় দিতে পারিনি। শেষ সময়টুকু তোমার পাশে থাকব এটাই ছিল আমার সুপ্ত ইচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জান মা, বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় আমাদের এখানে মুসলিম কমিউনিটির বড় মসজিদটির উদ্বোধন হয়েছে। আমি বাংলাদেশে থাকার কারনে আমার অবর্তমানেই উদ্বোধন করতে হল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাইছিলাম সেই প্রথম দিন থেকেই। দীর্ঘ চারদিন পর তোমার সাথে দেখা করার অনুমতি মিলল। একজন প্রবাসী হিসাবে আমি আমার পরিবার নিয়ে প্রাইভেট কার যোগে যাবে এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু আমার প্রিয়তমা সেটা হতে দিল না। তার একটাই কথা, এত দুরের রাস্তা যেতে হবে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এ। বাংলাদেশের নরমাল বাসে করেই আমি গেলাম আমার ছেলেমেয়েদের নিয়ে। আমাকে, আমার ছেলেমেয়ে কে দেখে তুমি যে কি পরিমান খুশি হয়েছিলে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই সময় তুমি ছিলে শয্যাশায়ী। সেই অবস্থায় তুমি আমাকে দোয়া করলে। তুমি এতই অসুস্থ ছিলে যে, আমাদের সাথে কথা বলতেও তোমার কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু গতবার তোমাকে যখন দেখেছি তখনও ছিলে কতটুকু স্বাভাবিক। তুমি হেসে হেসে আমাকে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলে। কিন্তু আজ, তুমি পারলে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা, তোমার মনে আছে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়া অবস্থার কথা। সেই সময়গুলোতেও আমি সারাক্ষন পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। খুব কমই বাড়ী আসতে পারতাম। যখনই বাড়ী আসতাম তখন তুমি তোমার সাধ্যমত আমার পছন্দের রান্নাগুলো করার চেষ্টা করতে। টিউশনি করেই আমাকে চলতে হত। পড়াশুনা আর টিউশনির ফাঁকে যখনই সময় পেতাম তখনই আমি তোমার কাছে ছুটে যেতাম। আমার মাস্টার্সের রেজাল্ট এর পর আমি জানি মা তুমি অনেক অনেক খুশি হয়েছিলে। আমি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড এর টিচার হয়েছিলাম। মা, এই টিচার হওয়াই কি আমার জন্য কাল হল? &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা, তোমার কাছে দুই দিন থাকার পরই আমাদের ফিরতে হল উত্তরার সেই বাসাতে। আমি নিজ দেশেই পরবাসী হয়ে গেলাম। ওর এককথা তোমাকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে মেয়ের বিয়ের জন্য। মায়ের সেবা করার জন্য নয়। আমি আমার একমাত্র কন্যার বিয়ের জন্য আমার পরিচিতদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে লাগলাম। জান মা, আমি এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে গেলাম। আমাকে ও এই অসুস্থতার মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় পাঠাত। আমার পুরানো বন্ধু বান্ধব থেকে শুরু করে ইউনির কলিগদের কাছে গিয়ে একটা পাত্রের জন্য বলতে লাগলাম। কিন্তু কোথাও থেকে সাড়া পাচ্ছিলাম না। এর মধ্যে তুমি বার বার আমাকে দেখা করতে বলছিলে ।আমি ওকে এটা বলতেই ওর কথা আগে মেয়ের বিয়ে তারপর অন্য কিছু। কি করব, কান্না ছাড়া অন্য কিছুই আমার করার ছিল না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা, তোমার মনে আছে যেইদিন আমি রোজ কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম? সেইদিন এটাকে তুমি ভাল চোখে নিতে পারোনি। আমি তোমাদের অগ্রাহ্য করেই বড়লোক হওয়ার আশায় বড় পরিবারে বিয়ে করলাম। আমার বড় হওয়ার আশা আজ আমাকেই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। মা, আমি তো আমার জীবনের শেষ দিনগুলো বাংলাদেশের মাটিতে কাটাতে চেয়েছিলাম। রোজ এর কারনে আমি আজ কানাডার সিটিজেন । অনেক কিছুই আমি পেয়েছি। কিন্তু সবুজ মাঠ এর ধানের ক্ষেত আমি এখানে পাইনি । আমি সহজ সরল ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় এর পড়াশুনা আর অন্য কোন কিছুর দিকে মনোযোগ দেয়ার সময় ছিল না আমার। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা, অবশেষে আমরা আমার মেয়ের জামাই পেয়ে গেলাম। ঢাকার এক চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ ওর সাথে আমাদের প্রথম দেখা হয়। মা, ছেলেটি ছিল আমার মত । একে বারেই সহজ সরল। টুকটাক কথা বলেই আমাদের ছেলেটিকে পছন্দ হল। এই ছেলে পেয়ে তো রোজ খুশিতে আদখান। আমার মেয়ের সাথে ছেলেটির কথা বলার ডেট ঠিক করলাম। এলিফ্যান্ট রোড এর একটি চাইনিজে ওরা বসল। কিন্তু না, ছেলে তো আমার মেয়ের সাথে কথা বলে বেকে বসল। যাও একটি ছেলে পেলাম সে আবার বেকে বসল। এই দিকে তোমার কাছে যাওয়ার জন্য আমি ব্যাকুল হয়ে গেলাম। এবার ছেলেটির সাথে কথা বলার দায়িত্ব দেয়া হল ওদের মামাকে। তিনি সেই পরিবারের সাথে কথা বললেন। হা, আমাদের তাড়াতাড়ি দেখে, বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখে তারা রাজি হলেন। যেদিন আমি, ওদের মামা এবং আমার ছেলে মিলে ওদের বাড়ী গেলাম সেদিন যাওয়ার সময় আমি দেখে গেলাম আমার মেয়ে কম্পিউটারে কি যেন লেখছে। আমি শুধু এই টুকুই বল্লাম, আমরা বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে ভালটাই নিয়ে যাব। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জান মা, আমার মেয়ের জন্য অনেক অনেক পাত্র খুজেছি। কানাডা, এমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, লন্ডন কোথাও আমরা ওর জোড়া মিলাতে পারিনি। এবার কার ছেলেটির সাথে আমি বেশি কথা না বল্লেও আমার ছেলে ও ছেলের মামা কথা বলেছে। তারা যেকোন মূল্যে এই রকম সহজ সরল ছেলেকে চায়। আমার মত করে যাতে তাকে ডমিস্টিক করে রাখতে পারে। মা, আমি মনে করেছিলাম, আমার মেয়ে অনতত আমার মত হবে। নিজেকে সৎ হিসাবে উপস্থাপন করবে । তার যে চাওয়া পাওয়াগুলো সব সে তার হবু বর এর কাছে বলবে। কিন্তু মেয়েটিও তা পারেনি। অনেক কথা কাটাকাটির পর আমরা আমার মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করলাম। তাও আবার এক সপ্তাহ পর। এর মধ্যে যা কিছু করার সবই করতে হবে। সব আত্মীয় স্বজনকে দাওয়াত দেয়া। বিয়ের কেনাকাটা কত কি কাজ? তোমার সাথে দেখা করার ছুটি তো আমি পাচ্ছি না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিয়ের দিন । হা, আমার মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিলাম। আমার মত সহজ সরল একটা ছেলের সাথেই আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম। রোজ এতে যে কি পরিমান খুশি হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিয়ের পরের দিনই আমার ছুটি । আমি ছুটি পেয়েও গেলাম। তোমার কাছে এসে দেখি তোমার অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ হয়েছে। তুমি আগের মত একটু আধটু কথাও বলতে পারছিলে না। শুধু হাতে ইশারায় আমাকে কাছে টেনে নিয়ে চুমু খাচ্ছিলে। আমি তোমাকে ঢাকা নিয়ে আসব সেটা করারও সময় নাই। কিই বা করতে পারি আমি। আজ যদি রোজ এর মা অসুস্থ থাকতো তাহলে সে ঠিকই বড় কোন হসপিটালে তার মাকে ভর্তি করত। কিন্তু আমি তোমার পাশে বসে বসে গুলোকোজ এর পানি ছাড়া আর কিছুই দিতে পারছি না। মা, তুমি হাতের ইশারায় আমার মেয়েকে আর তার জামাইকে দেখতে চাইলে। পরদিন সকালে ওদেরকে আমি নিয়ে আসলাম আমার বাড়ীতে। তুমি আমার মেয়েকে দেখলে তার সাথে সাথে দেখলে আমার মেয়ের জামাইকে। তুমি তাকে জড়িয়ে ধরলে। ধরার পাশাপাশি তোমার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছিল। তুমি বুঝতে পারছিলে তোমার মত আরেক মায়ের বুক খালি হচ্ছে। হায়রে দুনিয়া, এভাবেই কি দিনের পর দিন মায়ে রা তাদের সন্তানদের হারাবে! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমার অন্তীম সময়গুলোতে আমি তোমার কাছেই ছিলাম। কালেমা পড়ছিলাম আমি। তুমি শুধু চেয়েছিলাম। হয়ত আমার মিষ্টি মুখের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আমার ছোট বেলার কথাগুলোই ভাবছিলে। মা, তুমি চলে গেলে আমাকে ছেড়ে। আমার আত্মার সম্পূর্ণ আবেগকে উজার করে আমি কেদে উঠলাম।মা, আমি তোমাকে ভাল কিছু দেখিয়ে বিদায় দিতে পারিনি। আমার মত অযোগ্য ছেলে যেন কোন মাই পেটে না ধরে। শুধু দুনিয়ার লোভে পড়ে কোন ছেলে যেন বিয়ে না করে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা, আজও আমি ঠিক হতে পারিনি। বাসায় বেশিক্ষন থাকতে পারি না। আমার মেয়ে তার স্বামীর জন্য ছল ছল করে চেয়ে থাকে । আমি তার চোখে তোমার কান্নাগুলো দেখতে পাই। আমি সেই মসজিদে বসে বসে তোমার জন্যই দোয়া করি। রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা... &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[এই গল্পটা একান্তই আমার কল্পনার। এর সাথে কারো জীবনের কোন অংশের মিল থাকতেও পারে। কেউ এতে দু:খ পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। ]&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-2731595937384265780?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/2731595937384265780/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=2731595937384265780' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/2731595937384265780'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/2731595937384265780'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2009/03/blog-post.html' title='মা! তুমি আমায় ক্ষমা করো।'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-8097665479562357924</id><published>2009-01-29T01:17:00.000-08:00</published><updated>2009-01-29T04:03:29.664-08:00</updated><title type='text'>কি আশ্চর্য!</title><content type='html'>ভাইয়া আমার ইউনি যেতে ভাল লাগে না। কেন? আমার বান্ধবীদের পছন্দ হয় না। কেন? তারা খুব স্বার্থবাদী । সারাক্ষণ পড়াশুনা আর পড়াশুনা। পড়াশুনার বাইরে যে একটা দুনিয়া আছে তারা বুঝতেই চায় না। তাতে তোমার কি? আমার বন্ধুরা আমার সাথে মিলে না। এসব কারণেই আমার বোন  মাঝে মাঝে ইউনি যাওয়া মিস করে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু দিন আগে ওরা যাবে সার্ক ট্যুরে ।ভাইয়া আমাকে একটা স্পন্সর মেনেজ করে দাও না। আমি স্পন্সর পাব কোথায়? স্পন্সর না হলে তো যাওয়া যাবে না। তুমি তোমার বন্ধুদের বলে দেখ না, কি করা যায়? আমি আমার চেষ্টা করে গেলাম। কিন্তু স্পন্সর ম্যানেজ করতে পারলাম না। ওকে পাসপোর্ট করতে বল্লাম। কয়েকদিনের মধ্যে পাসপোর্ট হয়েও গেল। কিন্তু বিধিবাম, মোম্বাই এর বোমা হামলার কারণে ইন্ডিয়াতে ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়া বন্ধ। দেশেই ট্যুর করতে হবে। কোন উপায় নাই। ডিপার্টমেন্ট থেকে ঠিক হল রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন যাবে । ওর একই কথা এই মেয়েগুলোর সাথে এক সপ্তাহ থাকতে হবে। আমি বল্লাম --মন চাইলে যাও। এ রকম সুযোগ আর পাবা না। &lt;br /&gt; &lt;br /&gt;সে গেলও সেই ট্যুরে।  ট্যুর থেকেই, সে কি গল্প। আমরা আজকে রাঙ্গামাটি যাচ্ছি। সারারাত জার্নি করেছি। খুব সু্ন্দর জায়গাটা। ভাইয়া জান, আমাদের এখানে লুডু ম্যাচ হচ্ছে। আমি এখনও টিকে আছি। ফাইনালে এক স্যারের সাথে খেলা হবে। সবাই বলছে খেলাতে হেরে যেতে ।তাহলে বিষয়টি নিয়ে আরও মজা করা যাবে। কিন্তু সে বোরহান স্যারকে হারিয়ে দিয়ে জিতে গেল। ভাইয়া জান, আমি লুডু খেলায় ফার্স্ট হয়েছি।পুরস্কার হিসাবে পেয়েছি একটি সুটকি মাছ আর লুডু খেলার ঘর। ভাইয়া, সুটকি মাছ তো আর এভাবে আনা যাবে না। তাই এটাকে কাটাকুটা করলাম। এটা করতে করতে আমার জান শেষ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওরা সুন্দর ভাবেই  ফিরে আসল ঢাকাতে। এখন ওর ভিতরে একি পরিবর্তন! ওকে একবার হলে সিট মেনেজ করে দেয়ার পরও সেই উত্তরা থেকে সে নিয়মিত ক্লাস করে । আর ও কিনা কালকে আমাকে ফোন করে বলছে, আমি হলে থেকে গেলাম। ঝুমু আমাদের রান্না করে খাওয়াবে। কোন চিন্তা করতে আম্মা কে নিষেধ করে দিও।শুধু সেটাই নয়,  ও ট্যুর এর পর এক দিনের জন্য ইউনি মিস দেয়নি । সবাই তো  অবাক! এই মেয়ে এত নিয়মিত হল কিভাবে!!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-8097665479562357924?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/8097665479562357924/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=8097665479562357924' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/8097665479562357924'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/8097665479562357924'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2009/01/blog-post_29.html' title='কি আশ্চর্য!'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-4405197109601295533</id><published>2009-01-21T18:31:00.000-08:00</published><updated>2009-01-21T18:32:22.176-08:00</updated><title type='text'>হাজার মানুষের মাঝে তুমি আমার বন্ধু</title><content type='html'>ছেলেটির সাথে আমার পরিচয় বুয়েট কোচিং করার সময়। তখন কোচিং এর কোর্স শেষ দিকে । হাতে প্রিপারেশন এর সময় একদম কম। রেজাল্টও তত ভাল না। হাল্কা পাতলা ধরনের ছেলেটির প্রতি মায়াই হল। তার ডাকনাম টিপু। এরপর থেকে তার সাথে টুকটাক গল্প । কোথা থেকে পাশ করেছ? বাসা কোথায়? আব্বা কি করেন?  দেশের বাড়ি এক জায়গায় আর ইন্টারের কলেজ করলে আরেক জায়গায়। আব্বুর বন্ধুর কলেজে পড়াশুনা করেছে। তার পরিবারের খোজখবর ইত্যাদি ইত্যাদি নিলাম। এক সময় কোচিং এর সময় শেষ হয়ে গেল। আর দেখা হয় না সেই বন্ধুটির সাথে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দীর্ঘ আট বছর পর ইন্টারনেট এ চ্যাট করছি টিপুর সাথে । তার জিমেইল আইডির সাথে টিপু নামটি আছে। তাই তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। আপনি কোচিং করেছেন কোথায়? তারপর কলেজ । ওম্মা, সব দেখি মিলে যাচ্ছে একে একে। কি আশ্চর্য? আপনি তাহলে সেই টিপু । আপনারা ভাইবোন অনেক ছিলেন। ঠিক বলছি না? হা আপনি ঠিক বলেছেন!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপর ব্যক্তিগত আলাপচারিতা। কোথায় থাকেন? কি করেন? ভাইবোনদের অবস্থা কি? ভালই আছে আমার বন্ধু টিপু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দীর্ঘ আট বছর পর খুজে পাওয়া বন্ধু টিপুকে পেয়ে আমি আসলেই খুশি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-4405197109601295533?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/4405197109601295533/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=4405197109601295533' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4405197109601295533'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4405197109601295533'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2009/01/blog-post_21.html' title='হাজার মানুষের মাঝে তুমি আমার বন্ধু'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-4197476799851874750</id><published>2008-11-18T00:29:00.000-08:00</published><updated>2008-11-19T05:42:56.872-08:00</updated><title type='text'>সাদা পোষাকে আর কালি দিবেন না।</title><content type='html'>স্কুলে থাকা অবস্থায় আমাদের ক্লাসের এক মেয়ে এক ছেলের প্রেম পড়েছিল। এটা একটা সাধারণ ঘটনা স্কুলের ছেলে মেয়েরা একে অন্যের সাথে প্রেম করবে। কিন্তু এ ঘটনাটা আলোচিত হয়েছিল শুধুমাত্র এ কারণে যে মেয়েটি ছিল বোরকাওয়ালী। রক্ষণশীল পরিবারের হওয়ার পরও মেয়েটি ছেলেটির সাথে প্রেম করত। একবার পিকনিকে তারা একাকিত্বে দেখা করে।  আর যা হওয়ার তাই হল মেয়েটির ব্যাপারে আলোচনা আবারো তুঙ্গে। কারণ আর কিছুই নয় মেয়েটি বোরকাওয়ালী অথবা রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে। এই মেয়ে কিভাবে একটা ছেলের সাথে প্রেম করে। মেয়েটির ভাইয়ের সাথে ভাল সম্পর্ থাকায় আমাকেও কথা শুনতে হয়েছিল।  সাদা জামাতে কালো কালি লাগলে যেমন সবার চোখে লাগে সে ভাবেই এটা সবারই চোখে লাগত । &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার পরিচিত আর এক বড় ভাই  বিয়ে করল সংগঠন এর এক মেয়েকে। দুইজনেই একই সংগঠনের ফলে তাদের মধ্যে মিল হওয়ার কথা । কিন্তু হল অন্যটা, তাদের ভিতর মিল না হয়ে বিরোধ লেগেই আছে। এমন অবস্থা যেন বিয়ে ভেঙ্গেই যায়। মানসিকতার মিল না হওয়ায় তাদের বিরোধ হচ্ছে।তাদের একমাত্রসন্তানের কারণেই হয়ত তারা আলাদা হতে পারছে না। এটাও অনেক পরিবারের স্বাভাবিক ঘটনা হলেও তারা সংগঠনের লোক হওয়ায় পোষাকে কালি লাগার মত এটাও স্পষ্ট হয়ে সবার চোখে লেগেছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর একটা ঘটনা, আমাদের পাশের বাসার এক ভাই বিয়ে করার জন্য মেয়ে খুজছেন অনেকদিন ধরে। ভাল মেয়ে মানে সংগঠনের মেয়েই খুজছেন তিনি। কিন্তু সব কিছু মিললেও সংগঠনের মেয়ে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ভাইভাবী মিলে অনেকদিন মেয়ে খুজার পর সবদিক দেখে এক মেয়ের সাথে তার বিয়ে ঠিক করলেন। মেয়ের গায়ে হলুদ এর পর্বও শেষ। এবার বাকী শুধু বিয়ে পড়ানোর ।কিন্তু না, তিনি বিয়ের আগের দিন তার বন্ধুর মাধ্যমে কোন এক সংগঠনের মেয়ের খোজ পেলেন। বিয়ের দিন বরযাত্রী তৈরী থাকলেও বরকে পাওয়া গেল না। তিনি তার পছন্দের মেয়ের জন্য এই বিয়ে আর করবেন না। আর মেয়ে পক্ষ মেয়েকে কনে বেশে সাজালেও বিয়ে দিতে পারল না। এটাও বিয়ের ক্ষেত্রেসাধারণ ঘটনা। কিন্তু লোকটি সংগঠনের হওয়ায় বিষয়টি সাদা পোষাকে কালি পড়ার মত দেখা যায় দগদগ করে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্লীজ, আপনার আশে পাশে যারা আছে তারা আপনাকে খেয়াল করছে। তারা আপনাকে অন্যরকম চোখে দেখে তাই আপনার ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-4197476799851874750?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/4197476799851874750/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=4197476799851874750' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4197476799851874750'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/4197476799851874750'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/11/blog-post_18.html' title='সাদা পোষাকে আর কালি দিবেন না।'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-6048502538608672260</id><published>2008-11-12T07:28:00.001-08:00</published><updated>2008-11-12T07:28:22.258-08:00</updated><title type='text'>ঘড়ি</title><content type='html'>&lt;span id="pyzam-digitalclock-start" style="display:none"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;table width="242" border="0" cellspacing="0" cellpadding="0"&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;embed height="80" width="242" src="http://stuff.pyzam.com/toys/digit2.swf?myc=23294" quality="high" wmode="transparent" align="middle" type="application/x-shockwave-flash" &gt; &lt;/embed&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;center&gt;&lt;a href="http://www.pyzam.com/toys/view/digitalclock"&gt;Digital Clocks&lt;/a&gt; &amp; &lt;a href="http://www.pyzam.com/myspacelayouts"&gt;MySpace Layouts&lt;/a&gt;&lt;/center&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt; &lt;br /&gt;&lt;img style="visibility:hidden;width:0px;height:0px;" border=0 width=0 height=0 src="http://stuff.pyzam.com/misc/CXNID=1000015.14NXC.gif" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span id="pyzam-digitalclock-end" style="display:none"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;img style="visibility:hidden;width:0px;height:0px;" border=0 width=0 height=0 src="http://counters.gigya.com/wildfire/IMP/CXNID=2000002.2NXC/bHQ9MTIyNjUwMzYyNDczNCZwdD*xMjI2NTAzNjg5NjU2JnA9MzkwMSZkPWZsYXNodG95cyZuPWJsb2dnZXImZz*xJnQ9Jm89MWYxM2M4MDA2YTVhNDAwZmJhNWE*YmNiZWM4Y2IzNGU=.gif" /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-6048502538608672260?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/6048502538608672260/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=6048502538608672260' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/6048502538608672260'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/6048502538608672260'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/11/blog-post.html' title='ঘড়ি'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-5949292582718891623</id><published>2008-09-21T06:27:00.000-07:00</published><updated>2008-09-26T05:37:29.885-07:00</updated><title type='text'></title><content type='html'>&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-5949292582718891623?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/5949292582718891623/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=5949292582718891623' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/5949292582718891623'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/5949292582718891623'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/09/blog-post.html' title=''/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-8330876237970174025</id><published>2008-08-15T11:17:00.000-07:00</published><updated>2008-08-15T11:22:42.823-07:00</updated><title type='text'>অজানার পথে যাত্রা....</title><content type='html'>প্রতিটি দিন এখানে কাটছে এক একটা দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে। কোনদিন কি হয়ে যায় বলা যাচ্ছে না। আওয়ামীলীগ নামের দলটির সাথে আমার কোন শত্রুতা না থাকলেও তারা আমাকে শত্রু মনে করছে। যেকোন সময় বিপদে ফেলে দেয়ার ধান্দায় আছে। জানি না কি হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশ যাওয়ার জন্যই আমার এই গ্রামে আসা। ভাল ভাবে বেচে থাকার জন্যই ছোট বেলা থেকে রাজধানীতে বড় হলেও এখন গ্রামে আছি। ক্যারিয়ারের বিশাল এক ধাক্কা যাচ্ছে। জানি না , মুক্তি পাব কিনা এই আজাব থেকে। শুধুই ভাবছি কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার এক বন্ধুর কথা বলি। তার অনেকদিন চাকরি হচ্ছিল না। সে মনের দুঃখে আল্লাহর কাছে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়া শুরু করল। এক সময় অনাকাঙ্থিতভাবে তাকে একটি ভাল চাকরির ব্যবস্থা করে দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার আরেক বোনের কথা বলি। যার কম্পিউটার সাইন্স ভাল লাগছিল না। কম্পিউটার সাইন্স ভাল না লাগার কারণে কম্পিউটার চেঞ্জ করে বায়োলজিতে চলে গেল। যাওয়ার আগে সে ইশতেখারা করেছিল। ফলাফল এখন সে ভাল রেজাল্টের অধিকারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার বিপদের মুহুর্তগুলোতে শুধু আল্লাহকেই স্মরণ করেছি। জানি না, আল্লাহ কবে আমাকে সেই মুক্তির দিনটি দিবেন। তবে আমার বিশ্বাস আল্লাহ আমাকে ঠকাবেন না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-8330876237970174025?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/8330876237970174025/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=8330876237970174025' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/8330876237970174025'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/8330876237970174025'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/08/blog-post.html' title='অজানার পথে যাত্রা....'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-57545487925976398</id><published>2008-07-31T09:00:00.000-07:00</published><updated>2008-07-31T09:07:06.507-07:00</updated><title type='text'>ব্যবহার শেখাটা জরুরী</title><content type='html'>পৃথিবীতে যত অঘটন ঘটছে তার মূলে আর কিছু্‌ই নয় আছে মূলত সঠিক ব্যবহার না করা । আপনার বাচ্চাটা অন্য একটা বাচ্চার নাক ফাটিয়ে ফেলতে পারে যদি সে আপনার কাছ থেকে ভাল ব্যবহার না শেখে। কিন্তু বাচ্চাটাকে যদি আপনি শেখাতেন মানুষের সাথে ভাল ব্যবহার কর। তুমি যদি আজকে কারো সাথে ভাল ব্যবহার কর। আল্লাহই তোমার সাথে ভাল ব্যবহার করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শিক্ষার বয়স মানুষের ছোটবেলা । ছোটবেলায় বাচ্চাদের মন মগজে যা ঢুকিয়ে দেয়া হয় সেটা তার সারাজীবন মনে থাকবে। স্কুলে অনেক বাচ্চাকে মারামারি করে মারাত্মক সব ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।কিছু দিন আগে উত্তরা হাই স্কুলে এক বাচ্চা আরেক বাচ্চার চোখে পেন্সিল ঢুকিয়ে দিয়েছে। বুঝতেই পারছেন অবস্থা!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে আমি এজন্য বেশি দোষ দেই। কারণ এখানে নৈতিক শিক্ষা বলে কোন শিক্ষা আমার চোখে পড়েনি।মালেশিয়ার আজকের এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের জন্য তারা ধর্মকে বেছে নেয়নি, বেছে নিয়েছিল নৈতিক শিক্ষাকে।নৈতিক শিক্ষার ভিত্তি কোথায়? নিশ্চয়ই ধর্ম। ইসলাম তো এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ধর্মে (এস.এস.সি পর্যায়ে)৫০ নম্বর করাতে জামাতে ইসলামী অনেক আন্দোলন করেছিল ঠিকই। কিন্তু জোট সরকারের আমলে তারা নৈতিক শিক্ষার কোন ব্যবস্থা করতে পারেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার এক ছোট ভাই (ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতা) কে নিয়ে এক রেস্টুরেন্টের খেতে বসেছি। সে একটু ভুল করে তার প্লেটের পানি একজনের গায়ে ফেলে দিল। তাকে বল্লাম, তুমি স্যরি বললে না কেন? সে বললো, স্যরি বললে তো আর তার ক্ষতি পুষিয়ে দেয়া যেত না।পানি লাগা ছেলেটি আমাদের কথার কারণে  সেখান থেকে চলে গেল।  কিন্তু সেই ছেলেটি যদি হতো তার বিপরীত মতাদর্শের তাহলেই হতে পারতো বড় ধরনের মারামারি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মারামারি গুলো এসব তুচ্ছ ঘটনা থেকেই সূত্রপাত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাদ্রাসার ছাত্ররাও এক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে। হয়ত ভুল করে আমার সাথে কোন হুজুরের পায়ের সাথে পা লেগে গেছে। আমি স্যরি বল্লেও হুজুর থাকেন নির্বিকার। হুজুর রা শুধু মানুষের বাড়ীতে দাওয়াত খেতেই পারেন কাউকে দাওয়াত দিতে পারেন না। একথা অনেক প্রচোলিত। অনেক হুজুরকে সারাজীবন সালাম দিয়েই গেলাম কারো কাছ থেকে কোন সালাম পেলাম না। যাই হোক, দ্বীনী শিক্ষায় শিক্ষিতরা অনেক পিছিয়ে আছে ব্যবহার এর দিক থেকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন দুইটা বিষয়ের খবর নিবেন--একটা আল্লাহর হক। আর একটা বান্দার হক। আল্লাহর হক ঠিকভাবে পালন না করলেও তা আল্লাহ নিজগুণে ক্ষমা করে দিতে পারেন কিন্তু বান্দার হক। তা যতক্ষণ বান্দা তা ক্ষমা না করবে ততক্ষণ তিনি ক্ষমা করতে পারবেন না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-57545487925976398?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/57545487925976398/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=57545487925976398' title='5 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/57545487925976398'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/57545487925976398'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/07/blog-post_31.html' title='ব্যবহার শেখাটা জরুরী'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>5</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1669317108789729970.post-647967037578443908</id><published>2008-07-22T06:44:00.000-07:00</published><updated>2008-07-22T06:47:26.450-07:00</updated><title type='text'>আপনি, তুমি , তুই</title><content type='html'>আমরা আপনি, তুমি ,তুই এগুলো ব্যবহার করি সম্পর্কের ভিত্তিতে। পরিচয় এর শুরুতে আমরা আপনি দিয়েই শুরু করি। আপনি থেকে তুমি তারপর একান্ত আপন হলে সে সম্পর্ক যেতে পারে তুই তে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাধারনত সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্কের শুরু আপনি দিয়েই। অফিসিয়াল ভাষাও হয় আপনিতে। বাপের বয়সি লোকটিও আপনাকে অফিসিয়াল নিয়মের কারণে আপনি করে বলতে বাধ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর তুমি কথাটি আপনদের মধ্যেই হয়ে থাকে। বন্ধুত্বটা শুরু হয় তুমি দিয়েই। প্রিয়জন বড় হলেও তাকে অনেকে তুমি করে বলে আন্তরিকতা দেখিয়ে। বাপ-মাকেও অনেকে তুমি করে বলে আদর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর একান্ত আপন ভাই বোনদের তুই করে বলি আমরা। তুই শব্দ মনে হয় একান্ত আপনদের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভুল করলাম না তো। আর হ্যা, আমরা তুই শব্দটি ব্যবহার করি তুচ্ছ করার জন্য। রাস্তার টোকাইটাকে আমরা কি বলি? তুই না তুমি। তুই , তুই ই তো বলে থাকি। তাকে তুচ্ছ করার জন্য বলি। তাকে তুমি কি করে বল্লে, অসুবিধাটা কোথায়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার বন্ধুদের দেখেছি রিক্সা চালককে তুই করে বলছে। "এই খালি, তুই যাবি।" "এই&lt;br /&gt;কার্জন হল যাবি।" "তুই এত বাড়া চাস কেন?" ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেকে বাপের বয়সি লোককেও তুই করে বলতে দ্বিধা বোধ করে না। সেদিন এক রিক্সা চালক দু:খ করে বলছিল, তাকে তার ছেলের বয়সি ছেলেরা তুই করে বলে। তিনি বললেন তার বয়স ৪৮ বছর। ইন্টার পর্যন্ত পড়াশুনা করেছিলেন। বিভিন্ন কারণে উনি আজ রিক্সাচালক। যাই হোক, উনি আক্ষেপ করলেন আজকের ছেলেদের নিয়ে। আমি তাকে আপনি করে বলার কারণে উনি খুব খুশি হলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকজনদের একটু শ্রদ্ধা দিয়ে কথা বললে সমস্যা কোথায়?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1669317108789729970-647967037578443908?l=pasha326.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://pasha326.blogspot.com/feeds/647967037578443908/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1669317108789729970&amp;postID=647967037578443908' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/647967037578443908'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1669317108789729970/posts/default/647967037578443908'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://pasha326.blogspot.com/2008/07/blog-post.html' title='আপনি, তুমি , তুই'/><author><name>pasha</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02219216487977755894</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>4</thr:total></entry></feed>
